বেলাল আহমদ,চট্রগ্রাম ব্যুরো :
বান্দরবান জেলার মাতামুহুরী ও সাঙ্গু নদীর ভাঙ্গন রোধকল্পে ডিপিপি প্রণয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) গঠিত কারিগরী কমিটির সদস্যরা ৮ অক্টোবর ২০১৯ইং মঙ্গলবার লামার মাতামুহুরী নদী ও লামা খালের বিভিন্ন ভাঙ্গনের স্থান পরিদর্শন করেছেন।

এসময় তারা মাতামুহুরী নদীর লামা বাজার সংলগ্ন ভাঙ্গন, রাজবাড়ি-মেরাখোলা মাতামুহুরী ব্রিজের পশ্চিম পার্শ্বের ভাঙ্গন ও লামা খালের দরদরী অংহ্লারী পাড়াস্থ ইব্রাহিম লিডার পাড়ার বিস্তৃর্ণ ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। বিকেলে মাতামুহুরী নদীর আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কারিগরী কমিটি।

পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন, ড. শ্যামল চন্দ্র দাস, পরিচালক, পরিকল্পনা-১, বাপাউবো, ঢাকা ও সদস্য, কারিগরী কমিটি, মো. জহিরুল ইসলাম, মেয়র, লামা পৌরসভা, বান্দরবান, সালমা বেগম, উপ-প্রধান (সমাজবিজ্ঞান), প্রধান পানি ব্যবস্থাপনার দপ্তর, বাপাউবো, ঢাকা ও সদস্য, কারিগরী কমিটি, মো. রহমত আলী, উপ-প্রধান (মৎস্য), পরিকল্পনা-৩, বাপাউবো, ঢাকা ও সদস্য, কারিগরী কমিটি, মো. রাকিবুল হাসান, নির্বাহী প্রকৌশলী, বান্দরবান পওর বিভাগ, বাপাউবো, বান্দরবান ও সদস্য সচিব, কারিগরী কমিটি, ছাচিং প্রু মার্মা, চেয়ারম্যান রুপসীপাড়া ইউনিয়ন, মিন্টু কুমার সেন, চেয়ারম্যান, লামা সদর ইউনিয়ন, মো. শাফাত হোসেন, গবেষণা কর্মকর্তা (পরিবেশ ও বন), চট্টগ্রাম পওর বিভাগ-১, বাপাউবো, চট্টগ্রাম ও সদস্য, কারিগরী কমিটি।

আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. জাহেদ উদ্দিন, লামা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান, সাংবাদিক মুহাম্মদ কামালুদ্দিন, তানফিজুর রহমান, মো. নুরুল করিম আরমান, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, তৈয়ব আলী সহ প্রমুখ।

মাতামুহুরী নদী ও লামা খাল ভাঙ্গন পরিদর্শন শেষে বাপাউবো’র কারিগরী কমিটির সদস্য সচিব মো. রাকিবুল হাসান বলেন, দ্রুত ডিপিপি তৈরি করে কারিগরী কমিটি পরিকল্পনা কমিশনে জমা দিবে। আমরা আগামী তিন মাসের মধ্যে যেন ডিপিপি পাশ হয়ে আসতে পারে আমরা সে লক্ষে কাজ করছি। নদীর ভাঙ্গন রোধ ও জলাবদ্ধতা নিরষণে শহর পয়েন্টে ব্লক ও বেড়িবাবাধ নির্মাণ, নদীতে ড্রেজিং করা ও নদীতে সংযোগ ছড়া, নালা বা শাখা খালের অবস্থা সুইট গেইট বিষয়গুলো মাথায় রেখে পরিকল্পনা করছি।

লামা পৌরসভা মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, বাপাউবো’র কারিগরী কমিটির সদস্যরা মাতামুহুরী নদীর পানি প্রবাহের ধরণ, ভাঙ্গনের স্থান সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন হলে, নদী ও শহর রক্ষার পাশাপাশি শহরে প্রবেশের বিকল্প একটি সড়ক হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here