রাজশাহীতে পুলিশের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় এএসআই মাইনুল ইসলাম আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে নগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় জড়িত তিন শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি ও একটি চাকু পাওয়া গেছে।

আটককৃত শিক্ষার্থীরা হল নগরীর কয়েরদাঁড়া এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে আমির হোসেন (১৭), সপুরা পবাপাড়া এলাকার রণজিৎ হালদারের ছেলে অভিজিৎ হালদার রিংকু (২৪) এবং সাহেববাজার মাস্টারপাড়া এলাকার এমাজ উদ্দিনের ছেলে মোবারক হোসেন (১৮)। এর মধ্যে রিংকু রাজশাহী কলেজের ডিগ্রি প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থী।

মোবারক নগরীর টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের দশম শ্রেণির ছাত্র এবং আমির (১৭) নওহাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ জানান, নগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকায় সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন এএসআই মাইনুল ইসলাম।

দুপুর ১২টার দিকে তিন শিক্ষার্থী রিকশায় চড়ে সাহেববাজার এলাকার দিকে যাচ্ছিল। আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় পুলিশ তাদের রিকশা থামিয়ে তল্লাশি শুরু করে। এ সময় একজন ছুরি বের করে এএসআই মাইনুলের ওপর হামলা চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

অন্য দুইজনও এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা পথচারীদের সহায়তায় তাদের ধরে ফেলে।

এ সময় একটি পিস্তল, গুলি ও চাকু উদ্ধার করা হয়। ওসি জানান, আটককৃত শিক্ষার্থীদের থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

তারা ছিনতাইকারী দলের সদস্য কিনা তা জানার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর আহত পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here