দুই মেয়ে ও এক ছেলেসন্তানের জননী বিলকিস বেগম (৪৫)। তিনি ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত। চিকিৎসা করাতে গিয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি। অপারেশন এবং কেমোথেরাপি দিলে মা বিলকিস বেগম সুস্থ হয়ে উঠবেন।

চিকিৎসকরা বলেছেন, মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রায় ২ লাখ টাকার দরকার– এমনটিই জানালেন পাবনার চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ভাদ্রা ঢাকাপাড়ার বিলকিসের বড় মেয়ে মৌসুমী খাতুন। শয্যাশায়ী মায়ের পাশে বসে অঝোরে কেঁদে চলেছেন মৌসুমী ও তার  ছোটবোন মাহমুদা।

জানা যায়, বিলকিসের স্বামী মোহাম্মদ আলী চা বিক্রেতা। বড় মেয়ে মৌসুমী খাতুন বিএ পড়ছেন। তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি একটি ওষুধ কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।  ছোট মেয়ে মাহমুদা আক্তার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। একমাত্র ছেলে বিয়ে করে ঢাকায় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন। খোঁজ রাখেন না পরিবারের।

স্বামী ও মেয়ের স্বল্প আয়ে অভাব-অনটন লেগে থাকলেও সুখের কমতি ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হন বিলকিস বেগম। টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেছে বিলকিস বেগমের।  সরেজমিন গিয়ে জানা গেল, বিলকিস বেগম ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত। ধারদেনা করে তাকে চারটি কেমো দেয়া হয়েছে।

তিনি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ প্রফেসর মো. নুরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসা করাতে গিয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি।  অপারেশন এবং পরবর্তী আরও কয়েকটি কেমো দিলে সুস্থ হবেন বিলকিস বেগম-এমনটিই বলেছেন চিকিৎসক। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন আরও ২ লাখ টাকা।

টাকার জোগাড় হচ্ছে না বলে অপারেশন হচ্ছে না বিলকিস বেগমের। তাই মাকে বাঁচাতে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সমাজের বিত্তবানদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন পাবনা অ্যাডওয়ার্ড সরকারি কলেজে বিএ পড়ুয়া বড় মেয়ে মৌসুমী খাতুন।  মৌসুমী খাতুন বলেন, মাকে বাঁচাতে চাই। মাত্র দুই লাখ টাকা হলেই বেঁচে যাবে আমার মা।

প্রধানমন্ত্রীও একজন মা। আমি জানি আমার এই আকুতি তার কাছে পৌঁছালে তিনি আমার মায়ের জন্য একটা ব্যবস্থা করবেন।’ মৌসুমী খাতুনের মায়ের চিকিৎসা সহযোগিতার জন্য এই নাম্বারে যোগাযোগ করা যেতে পারে-০১৭৮৩৬৫২২৪৬+১ (ডাচ্-বাংলা রকেট)।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here