পারভেজ আলী(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি : নির্বাচনে তাঁত শিল্পে সমৃদ্ধ বেলকুচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রবীনদের চোখ এখন আলহাজ গাজী সাইদুর রহমানের দিকে। বেলকুচি উপজেলা আওয়ামীলীগের সবচেয়ে প্রবীন কর্নধর এই নেতাকে নিয়ে এখন সর্বস্তরে আলোচনার ঝড় বইছে। চা ষ্টল থেকে শুরু করে লোক সমাগমে সর্বত্রই সাইদুর রহমানকে নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনা উপজেলা বাসীর। আলহাজ গাজী সাইদুর রহমান জীবনের শুরু থেকেই আওয়ামীলীগের রাজনীতির নিবেদিত প্রান। তিনি ১৯৬২ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতির মধ্যেদিয়ে শুরু হয় তার রাজনীতি জীবন।

১৯৭০/৭১ সালে মহান স্বাধীনতা আন্দোলনে স্বাধীর বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদে বেলকুচি থানার আহব্বায়ক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগদান করে ৬নং সেক্টরে যুদ্ধকালীন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে দ্বায়ীত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর শ্রমিক সংগঠনের দ্বায়িত্ব হাতে নেন। তিনি সেই সময় বাংলাদেশ তাঁত ও ক্ষুদ্র শিল্প সমিতির ততকালিন পাবনা জেলা শাখার সাধারন সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে পরপর দুইবার বেলকুচি থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনবার বেলকুচি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি সোহাগপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি বেলকুচি প্রেসক্লাবের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ রাজনীতি জীবনে তিনি কখনই নিজের আদর্শ থেকে বিচ্চুতো হননি। তার এই দীর্ঘ রাজনীতি জীবনে অনেক বার কারাবন্ধী হয়েছেন। এরশাদ সরকারের সৌরশাসন আর বিএনপি জামাতের হিংস্র থাবার মধ্যেও তিনি বেলকুচি উপজেলা আওয়ামীলীগের হাল ধরে উজ্জিবিত করে রেখেছেন। তিনি বেলকুচির নবীন প্রবীন সহ সকল স্তরের মানুষের কাছে একজন আদর্শ ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাইদুর রহমানের মতো প্রবীন নেতাকে এমন আসনে বসাতে চান উপজেলার মানুষ। তাই দলমত নিবিশেষে তান অবস্থান এখন তুঙ্গে। দল এই প্রবীন নেতাকে মুল্যায়ন করবে বলে বিশ্বাস বেলকুচি বাসীর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here