সালে অাহমেদ,ডেমরা প্রতিনিধিঃ
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নানা কাজে গ্যাসের ব্যবহার হয়ে থাকে।সবচেয়ে বেশি গ্যাস অপচয় হয়ে থাকে বাসা-বাড়িতে।নগরজীবনে গ্যাস আমাদের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।আমরা বিভিন্ন সময় হার- হামেশাই এ মূল্যবান সম্পদটি অপচয় করে থাকি।্ ছোট ছোট অপচয় একসময় বড় সমস্যার সৃষ্টি করে।

রাজধানীর আশে-পাশের এলাকাগুলোতে বিশেষ করে ডেমরার কোনাপাড়া,বাশেরপুল,ডগাই,মোমেনবাগ,বামৈল,বড়ভাঙ্গার বোর্ডমিল,শুকুরশীসহ আরো কয়েকটি এলাকাতে গ্যাসের অপচয় লক্ষনীয় হারে বেড়ে গেছে এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের।বাসা বাড়িতে পানি ফোটাতে দীর্ঘসময় গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখা ও ম্যাচের কাঠি বাচাঁতে চুলা জ্বালিয়ে রাখার অভিযোগ সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়।

কোনাপাড়ার বাসিন্দা ও বিটিসিএলের কর্মকর্তা আরিফ খান বলেন,আমাদের এই জাতীয় সম্পদটি সীমিত তাই এর অপব্যবহার কমাতে হবে।আমরা নিজেরা সচেতন হলে প্রাকৃতিক সম্পটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে পারবো নয়তো গ্যাস সংকটে ভোগতে হবে আমাদের সবাইকে।

সংশ্লিষ্টরা বলছে,গ্যাস নগর জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ন অংশ।গ্যাস বেশি জ্বালালে ও না জ্বালালে বিল নিদিষ্ট তাই এক্ষেত্রে গ্যাসের অপব্যয়টা মাত্রাতিরিক্ত।শীতের সময় ঘর গরম রাখা ও কেউ কেউ কাপড় শুকাতে চুলা জ্বালিয়ে রাখে।এসব অপব্যবহাওে রোধে আমরা আদেী জনসচেতনা অর্জন করেছি?এসব অপচযের কারনে রাজধানীর বিভিন্ নগরীতে গ্যাসের সঙ্কট দেখা দেয়।বিশেষ করে শীতের সময় গ্যাসের তীব্র সংকট পরিলক্ষিত হয।

ডেমরার বাসিন্দা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান জানান,গ্যাস আমাদের জাতীয় সম্পদগুলোর মধ্যে অন্যতম।গ্যাসের অপচয় রোধে আমাদের জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।আমাদের এ সম্পদটি যেহেতু অল্প তাই অপব্যয় রোধ আমাদেরই করতে হবে।যত্রতত্র অপচয় রোধে আমাদের সবাইকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে।

তিতাস গ্যাস এর প্রকেীশলী ফখরুল ইসলাম বলেন,অনেকে একটি ম্যাচের কাঠির জন্য চুলা জ্বালিয়ে রাখে।শীতের সময় ফ্লাট বাড়িতে কাপড় শুকাতে চুলা জ্বালিয়ে রাখে।আমাদের সবার উপলদ্ধি করতে হবে গ্যাসের অপচয়ের কারনে আমাদের সবার ক্ষতি হচ্ছে।সবাই সচেতন হলে অপচয় রোধ সম্ভব।
উল্লেখ্য যে,গ্যাসের অপচয় রোধে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য প্রি-পেইড মিটার স্থাপন কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here