কুষ্টিয়ায় পুলিশের সাথে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী বলে দাবি করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও বিপুল পরিমাণ মাদকও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কবুরহাট এবং দৌলতপুর উপজেলার বাঁধের বাজার এলাকার মুসলিমনগর মাঠে এই দুইটি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি নাছির উদ্দিন জানান, রাত ২টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কবুরহাটের মাদরাসাপাড়া জিকে ক্যানেলের পাশে দুইদল মাদক ব্যবসায়ী গোলাগুলি করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বলে জানান নাছির উদ্দিন।

পরে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি নাছির উদ্দিন আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি ও ৮শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানার এসআই মোস্তাফিজসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত হন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত মাদক ব্যবসায়ীর পরিচয় জানা যায়নি।

অপরদিকে দৌলতপুর থানার ওসি শাহ দারা খান জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার বাঁধেরবাজার এলাকার মুসলিমনগর মাঠে দুইদল মাদক ব্যবসায়ীর বন্দুকযুদ্ধের খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করে দৌলতপুর হাসাপতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষাণা করেন। নিহতের নাম মদন (৪৫)। তিনি সীমান্ত সংলগ্ন জামাল গ্রামের রিফাজ উদ্দিনে ছেলে এবং দৌলতপুরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে দেড় ডজনেরও বেশি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ৯শ পিস ইয়াবা ও ৩০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here